একুশের কথা।

প্রথমেই বাঙলা ভাষার একটু সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যান দেওয়া উচিত বলে বোধ করছি।
প্রায় ৬০০০ ভাষার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রথম দশটি ভাষার একটি হচ্ছে বাঙলা ভাষা। সারা বিশ্বের প্রায় ২৩০ মিলিয়ন মানুষ বাঙলা ভাষায় কথা বলে। বর্তমানে জনসংখ্যার দিক থেকে বাঙলা ভাষার অবস্থান সপ্তম।

বাঙলা ভাষার উৎপত্তিও কিন্তু আজকের নয়। এর ইতিহাস খুঁজতে গেলে আমাদের অন্তত মিলিয়ন হাজার বছর পেছনে তাকাতে হবে। এই বাঙলা ভাষার জন্ম কী ভাবে এ নিয়ে অবশ্য পণ্ডিতদের মধ্যে মতভেদ আছে। এ ব্যাপারে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, ড.সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, হুমায়ুন আজাদসহ আরও অনেকেই গবেষণা করেছেন। বাঙলা ভাষার উৎপত্তি সম্পর্কে অধিকাংশ গবেষক বলেন, এক সময় আমাদের এই ভারতবর্ষে আর্য জাতি নামে একটি জাতিগোষ্ঠী বসবাস করত। তাদের ভাষা ছিল আর্যভাষা বা সংস্কৃত। সংস্কৃত শুধু হিন্দু সমাজের উঁচুশ্রেণির লেখার ভাষা হিসেবে ব্যবহার হতো। হিন্দুদের ধর্মীয়গ্রন্থগুলো সব এ ভাষাতেই রচিত হয়েছে। ধর্মগ্রন্থের ভাষা বলে এই ভাষাকে পবিত্র ভাষা জ্ঞান করা হতো। তাই সাধারণ মানুষদের এ ভাষার কথা বলার নিয়ম ছিল না। অঞ্চলভেদে সাধারণ মানুষ বিভিন্নরকম “প্রাকৃত” ভাষায় কথা বলত। এটাই ছিল সে সময়কার মানুষের কথ্য ভাষা। সে সকল প্রাকৃত ভাষার একটির নাম ছিল “মাগধী প্রাকৃত”। পণ্ডিতরা বলেন; এই “মাগধী প্রাকৃত” ভাষা থেকেই একসময় বাঙলা ভাষা জন্ম লাভ করেন।
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য তথা সাহিত্য নিদর্শন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হর-প্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ও প্রবোধ-চন্দ্র বাগচীর মতে চর্যাপদের রচনাকাল খ্রিস্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত। কিন্তু ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ওরাহুল সাংকৃত্যায়ন অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী বলে মতপ্রকাশ করেছেন। সুতরাং দেখা যাচ্ছে আমাদের ভাষা ইতিহাস অনেক পুরাতন।
এবার একুশের কথায় আসি। একুশের কথা বলার পূর্বে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সম্পর্কে কিছু বলার প্রয়োজনীয়তা বোধ করছি। কারণ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত প্রথম ব্যক্তি, যিনি ১৯৪৮ সালের ২৫ আগস্ট পাকিস্তান গণপরিষদে তিনি অধিবেশনের সকল কার্যবিবরণী ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাতেও রাখার দাবি উত্থাপন করেন।

সংক্ষেপে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত-
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত (২ নভেম্বর, ১৮৮৬ – ২৯ মার্চ, ১৯৭১) একজন বাঙালি আইনজীবী সমাজকর্মী ও রাজনৈতিক ব্যক্তি। তাঁর পরিচিতি মূলত একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে। সুরেন্দ্র নাথ ব্যানার্জী এবং ব্যারিস্টার আবদুর রসুলের রাজনৈতিক মতাদর্শে প্রভাবিত হয়ে তিনি ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেন। ১৯১৯ সালে ময়মনসিংহ শহরে অনুষ্ঠিত বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেসের সম্মেলনে তিনি অংশগ্রহণ করেন। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের আহ্বানে তিনি তিন মাসের জন্য আইন ব্যবসা স্থগিত রাখেন এবং অসহযোগ আন্দোলনে অংশ নেন। ১৯৩৭ সালে তিনি বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভার সদস্য নির্বাচিত হন। বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন সংশোধন, বঙ্গীয় কৃষিঋণ গ্রহীতা ও বঙ্গীয় মহাজনি আইন পাসের সাথে ধীরেন দত্ত সংশ্লিষ্ট ছিলেন। তিনি ১৯৪২ সালে ভারত ছাড় আন্দোলনে যোগ দেন। ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে তিনি কংগ্রেস দলের টিকিটে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভার সদস্য নির্বাচিত হন। পাকিস্তানের সংবিধান রচনার জন্য ঐ বছর ডিসেম্বরে পূর্ববঙ্গ হতে তিনি পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৪৭ সালের পর একজন অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক হিসেবে পাকিস্তানের রাজনীতিতে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করেন। ১৯৪৮ সালের ২৫ আগস্ট পাকিস্তান গণপরিষদে তিনি অধিবেশনের সকল কার্যবিবরণী ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাতেও রাখার দাবি উত্থাপন করেন। ১৯৫৪ সালের জুন মাসে পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে তিনি পূর্ব পাকিস্তানে গভর্নরের শাসন প্রবর্তনের বিরুদ্ধে একটি ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি হওয়ার পর ১৯৬০ সালে ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের উপর ‘এবডো’ (Elective Bodies Disqualification Order) প্রয়োগ করা হয়। ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় তাঁকে গৃহবন্দি করে রাখা হয় এবং তখন থেকে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকেন। তারপরও বাঙালি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত গুরুত্বপূর্ণ বাঙালি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক বজায় রাখতেন। ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ রাতে পুত্র দিলীপকুমার দত্তসহ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাঁদেরকে ময়নামতি সেনানিবাসে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়।
একুশ সৃষ্টি হওয়ার কাহিনী-
১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগের সময় থেকেই অর্থাৎ পাকিস্তান জন্ম নেবার শুরু থেকেই বাঙালি ভাষার জন্য আন্দোলন করে আসছে। ১৯৪৭ সালের ১ অক্টোবর বাঙলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবীতে গঠিত হয় ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’, তার পরের মাসেই অর্থাৎ নভেম্বর মাসেই পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহার শুরু করে। এর কিছুদিন পর, ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ভাষণে ঘোষণা দেন, উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। কিন্তু ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৯৪৮ সালের ২৫ আগস্ট পাকিস্তান গণপরিষদে তিনি অধিবেশনের সকল কার্যবিবরণী ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাঙলাতেও রাখার দাবি উত্থাপন করেন। এর পর থেকে রাষ্ট্রভাষা বাঙলা করার দাবীতে পূর্বপাকিস্তানের জনগণ ( বর্তমান বাংলাদেশ) আন্দোলন শুরু করে। সেখান থেকে সারা দেশে প্রতিবাদের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে।

এরপর ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী খানা নাজিমুদ্দীন ঢাকা পল্টনের জনসভায় উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দেন। ফলে তুষের আগুন জ্বলে উঠল আবার, আর ঢাকার রাস্তায় শুরু হল বিক্ষোভ। তার তিন দিন পরই নিজেদের আর শক্তিশালী করার জন্য ঢাকা শহরের সকল বুদ্ধিজীবী, রাজনৈতিক নেতা এবং ছাত্রসমাজের নেতৃত্বে ৩০ জানুয়ারি গঠিত হল “সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি”, এর আহ্বায়ক ছিলেন ছাত্রলীগ নেতা গোলাম মাহবুব। তাদেরই সিদ্ধান্তে ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সকল প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালিত হয় এবং ২১ ফেব্রুয়ারি আবার সাধারণ ধর্মঘট আহ্বান করা হয়।

41959210200348116976004

তাদের ধর্মঘট যাতে সফল না হয় সে জন্য সরকার ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। কিন্তু প্রতিবাদী ছাত্ররা ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় দুপুরের দিকে ১৪৪ ধারা আইন ভেঙে “রাষ্ট্রভাষা বাঙলা চাই” স্লোগান দিয়ে রাস্তায় নেমে আসে। ছাত্রদের সাথে জনগণও রাস্তায় নেমে আসে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের কাছে মিছিল আসলে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। তাদের গুলিতে প্রথম শহিদ হন তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের (বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) বাণিজ্য বিভাগের ছাত্র রফিকউদ্দীন আহমদ। আরও শহিদ হোন সালাম, বরকত, জব্বার, সফিউর রহমান, সালাহউদ্দীন এবং কিশোর অহিউল্লাহ। এ ঘটনায় সারা দেশে ব্যাপক বিক্ষোভের ঝড় ওঠে। ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেলের সামনে ছাত্ররা ১০ ফুট উঁচু ও ৬ ফুট চওড়া একটি শহিদ মিনার বানিয়ে ফেলে। মিনার তৈরির তদারকিতে ছিলেন জিএস শরফুদ্দিন (ইঞ্জিনিয়ার শরফুদ্দিন নামে পরিচিত), ডিজাইন করেছিলেন বদরুল আলম। সাথে ছিলেন সাঈদ হায়দার। তাদের সহযোগিতা করেন দুইজন রাজমিস্ত্রি। মেডিকেল কলেজের সম্প্রসারণের জন্য জমিয়ে রাখা ইট, বালি এবং পুরাণ ঢাকার পিয়ারু সর্দারের গুদাম থেকে সিমেন্ট আনা হয়। ভোর হবার পর একটি কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় মিনারটি। ঐ দিনই অর্থাৎ ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে, ২১ ফেব্রুয়ারির শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিক-ভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে দশটার দিকে শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন আজাদ সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন। উদ্বোধনের দিন অর্থাৎ ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে। এরপর ঢাকা কলেজেও একটি শহীদ মিনার তৈরি করা হয়, এটিও একসময় সরকারের নির্দেশে ভেঙ্গে ফেলা হয়। এভাবেই এই দিনটি ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নেয়। আর এসব ক্রমবর্ধমান আন্দোলনের ফলেই, ১৯৫৪ সালের ৭ মে তৎকালীন পাকিস্তানী সরকার বাঙলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়। তবে সাংবিধানিকভাবে এটি রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পায় ১৯৫৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তারিখে। সে দিনের পর থেকেই কাগজে-কলমে বাঙলাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকার করে দেওয়া হয়। অবশেষে বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়। এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে। এভাবেই আমাদের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে একটি গৌরবময় ইতিহাসের সৃষ্টি হয়।
একাত্তরে “শহিদ মিনার” সম্পর্কেও কিছু বলার প্রয়োজনীয়তা বোধ করছি :
১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী সৈন্যরা দেশের সব শহিদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে। ২৫ মার্চ রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার ভেঙ্গে ফেলার সময় তারা দম্ভ করে বলেছিল,-“ হার ঘর শহীদ মিনার বানা দেঙ্গা” এর অর্থ হল- প্রতিটি ঘরকেই শহিদ মিনার বানিয়ে দেব। হায়নারা তাদের কথা অনুযায়ী কাজটাও করেছিল। তারা প্রতি ঘরেই হত্যা করে শহিদ বানিয়েছিল। কিন্তু বাঙালিও হাল ছেড়ে দেয় নি এর জবাবে; যার যার আঙ্গিনায় ক্ষণিকের জন্য হলেও একটি করে শহিদ মিনার বানিয়ে জবাব দিয়েছি।

48382410200348121656121

বর্তমানে বিশ্বের সকল মাতৃভাষাকে বিশেষভাবে সম্মান জানানোর জন্য ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ দিনটির মধ্য দিয়ে; ভাষার জন্য আমাদের শহিদদের আত্মত্যাগের ঘটনাটি বিশ্বের সকল মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছে। ১৯৯৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর প্রথম বাংলাদেশ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো তার ৩০তম সাধারণ সভায়, ভাষার জন্য এই বিশাল আত্মত্যাগের ঘটনাটিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেয় এবং ২১ ফেব্রুয়ারিকে “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” হিসেবে ঘোষণা করে। এর ফলে, পরের বছর থেকেই বিশ্বের ১৮৮টি দেশ একযোগে ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে। আজও বিশ্বের দরবারে আমাদের এই অর্জনটি একটি বিশেষ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।  একুশ আমাদের ঐতিহ্য, একুশ আমাদের শক্তি। একুশ আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হয় এবং কীভাবে নিজের ন্যায্য দাবিটুকু আদায় করে নিতে হয়। “একুশ মানে মাথা নত না করা”- এ স্লোগানটি সামনে রেখেই আমাদের একুশ পালন করতে হবে।

Advertisements

One thought on “একুশের কথা।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s