ব্লগার ইস্যুতে আওয়ামী লীগ সরকারের অবস্থান

৫ই ফেব্রুয়ারি গণজাগরণ মঞ্চ সৃষ্ট হওয়ার ১০দিন পর রাজিব হায়দার যখন নিজ বাসার সামনে চাপাতির আঘাতে নিহত হলেন তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর রাজিব হায়দারের বাসায় যান এবং খুনিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবেন বলে তারা প্রতিশ্রুতি দেন। রাজিব হায়দার খুন হওয়ার পরই ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ও ডানপন্থী পত্রিকাগুলো ব্লগার বিভিন্ন লেখা কাটছাঁট করে পত্রিকায় প্রকাশ করে ব্লগারদের বিরুদ্ধে একটা জনমত গঠন করতে সক্ষম হয়। তাদেরই প্ররোচনায় হেফাজত ইসলাম মাঠে নামে। হেফাজতে ইসলাম সৃষ্টি হইছে ২০১০ সালে নারী নীতির প্রতিবাদে, ২০১৩ তে ব্লগার ইস্যুতে লাইমলাইটে আসে। ব্লগারদের গ্রেফতারের দাবী তোলে বিভিন্ন ইসলামিক সংগঠন। তাদের দাবীর প্রেক্ষিতে সরকার ধর্মঅবমাননাকারী বিশেষ করে ইসলাম অবমাননাকারী ব্লগারদের লিস্ট জমা দিতে আদেশ দেয়। ৩১ মার্চ ২০১৩তে ডিজিএফআই ও ওলামালীগের নেতারা বসে ব্লগারদের নিয়ে একটা লিস্ট তৈরি করে। যা ৮৪ ব্লগার লিস্ট হিসেবে পরিচিত। গত ২৪ মে ২০১৫ তে হেফাজত ইসলামের মহাপরিচালক শাহ আহমদ শফী বলেন- হেফাজতে ইসলাম ধর্ম অবমাননার ঘটনায় কোনো ব্লগারের তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দেয়নি।

হেফাজত ইসলাম ব্লগারদের লিস্ট জমা না দিলেও ১৯ এপ্রিল ২০১৪ সালে ব্লগারদের হত্যা ওয়াজীব ঘোষণা, ৮ এপ্রিল ২০১৬ তে নাস্তিকদের বিরুদ্ধে মুমিনদের জিহাদ করার জন্যে প্রস্তুত হওয়ার ঘোষণা দিলেও সরকার হেফাজতের এসব বক্তব্যের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। উল্টো ব্লগার হত্যার পর সরকার ও রাষ্ট্রের অঙ্গ-সংগঠনগুলো ব্লগারদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করার একটা চেষ্টা চালায়। এই ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী’ও বেশ এগিয়ে। ৩ জুলাই ২০১৫, লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায়ের বাবা অধ্যাপক অজয় রায় বলেছিলেন-ব্লগার হত্যায় সরকারের প্রচ্ছন্ন সমর্থন রয়েছে। এছাড়া ব্লগার ও জাগৃতি প্রকাশনীর কর্ণধার ফয়সল আরেফিন দীপন খুন হওয়ার পর তার পিতা অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন-‘হত্যাকারীদের প্রতি আমার কোনও অভিযোগ নেই। আমি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই না। কেননা বিষয়টি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক, সম্পূর্ণ সাংস্কৃতিক। আমি জানি, বিচার চেয়ে কোনো প্রতিকার হবে না।’ বিষয়টি স্পষ্ট সরকার ব্লগার হত্যাকারীদের ধরার জন্যে আন্তরিক নয়। উল্টো ব্লগারদের অপরাধী হিসেবে দেশবাসীর সামনে উপস্থাপন করে হীন রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের চেষ্টায় লিপ্ত আছে। ৫৭ ধারা নামক কুখ্যাত আইন সংশোধন করে সামান্য ব্লগ পোস্ট কিংবা ফেসবুক পোস্টের কারণে ৭-১৪ বছরের জেল ও ১ কোটি টাকা জরিমানা শাস্তি হিসিবে কার্যকর করা হয়েছে। ফলে অনলাইনে শুধু ধর্ম নয় সরকারের সমালোচনা করার জায়গাটিও ছোট হয়ে গেছে। ব্লগার হত্যায় দিন শেষ ইসলামিক দলগুলো ও সরকারই লাভবান হচ্ছে। এছাড়া ব্লগারদের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেয় তৎকালীন প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ও তাদের পত্রিকা আমার দেশ। ১৬ মার্চ ২০১৩ তে খালেদা জিয়া বলেন-“শাহবাগে আন্দোলনকারীদের নাস্তিক, নষ্ট ও আওয়ামী ঘরানার।অবিলম্বে মঞ্চ-ফঞ্চ বন্ধ করুন।” তিনি আরো বলেন-“শাহবাগে এরা কারা? এরা নিরপেক্ষ নয়। এরা সব আওয়ামী ঘরানার আর নাস্তিক। যারা মুসলিম-হিন্দু-খ্রিস্টান কোনো ধর্মে বিশ্বাস করে না। নাস্তিকদের নিয়ে বিচার বিচার খেলা শুরু হয়েছে। এরা বিচার মানে না, আইন মানে না। রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে আন্দোলন করছে।” সুতরাং স্পষ্ট রাজনৈতিক স্বার্থে বাংলাদেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে ব্লগারদের বিরুদ্ধে মানুষকে উস্কিয়ে দিতে চেষ্টা করেছে। পরোক্ষভাবে খুনিদের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছে।

ব্লগটি অবিশ্বাসী ব্লগার ইস্যুতে সরকার ও আইন-শৃংখলা বাহিনীর বক্তব্য কী তা লিপিবদ্ধ করা। প্রতিটি বক্তব্য এখানে আপডেট করা হবে। সরকার ও আইন-শৃংখলা বাহিনীর সকল বক্তব্যে লিপিবদ্ধ করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

ফ্যাশন দাঁড়িয়ে গেছে যে ধর্মের বিরুদ্ধে লিখলেই তারা হয়ে গেলো মুক্তচিন্তা : প্রধানমন্ত্রী

মুক্তচিন্তার নামে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত বিকৃত রুচি: প্রধানমন্ত্রী-দৈনিক প্রথম আলো
১৪ এপ্রিল ২০১৬

শেখ হাসিনা বলেন এখন একটা ফ্যাশন দাঁড়িয়ে গেছে যে ধর্মের বিরুদ্ধে কিছু লিখলেই তারা হয়ে গেলো মুক্তচিন্তা। “আমি তো এখানে মুক্তচিন্তা দেখিনা,আমি এখানে দেখি নোংরামি”। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি একজন মুসলমান হিসেবে প্রতিনিয়ত আমার ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলি। সেখানে কেউ যদি লেখে, এতে আমার নিজেরও কষ্ট হয়। আর এই লেখার জন্য কোনো অঘটন ঘটলে দোষ সরকারের ওপর আসবে কেন? সবাইকে সংযমতা নিয়ে চলতে হবে। সবাইকে একটা শালীনতা বজায় রেখে চলতে হবে। অসভ্যতা কেউ করবেন না। অসভ্যতা করলে তার দায়িত্ব কে নেবে? আমরা নেব না।’

সূত্র-বিবিসি বাংলা

নাজিমুদ্দিনের লেখালেখি সরকার খতিয়ে দেখবে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (নাজিমুদ্দিন খুন হওয়ার পর সরকারের বক্তব্য)
৭ এপ্রিল ২০১৬

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বিবিসিকে বলেছেন নিহত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নাজিমুদ্দিন সামাদ ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর লেখালেখি করতেন কিনা তা দেখা প্রয়োজন।
এই হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে জানতে চাইলে বিবিসিকে তিনি বলেন, “কেন এটা হয়েছে, কি হয়েছে, এখনই তা বলতে পারবো না। আগে জেনে নেই।”

তবে একই সাথে মন্ত্রী বলেন, “ব্লগে আপত্তিজনক লেখা লিখেছে কিনা তা দেখার প্রয়োজন আছে”।

আপত্তিকর লেখা লিখলেই কি হত্যা গ্রহণযোগ্য হতে পারে? এই প্রশ্নে বিরক্তি প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

“আমি সে কথা বলতে চাইনি…আগের যে হত্যাকাণ্ডগুলো হয়েছে তাদের ব্লগ যদি দেখেন, এভাবে মানুষের ধর্মে আঘাত দেওয়া, বিশ্বাসে আঘাত দেওয়া, পৃথিবীর কোনো দেশেই তা গ্রহণযোগ্য নয়”।

সূত্র- বিবিসি বাংলা

ধর্মানুভূতিতে আঘাত দিয়ে না লেখার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
৮ নভেম্বর ২০১৫

কারও ধর্মানুভূতিতে যেন আঘাত না লাগে- লেখালেখির ক্ষেত্রে এই সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সূত্র-বাংলা বিডি নিউজ২৪ ডট কম

ভয় পাবেন না, লেখালেখি চালিয়ে যান: ইনু
২ নভেম্বর ২০১৫

লেখকদের পর প্রকাশককে হত্যা করা হলেও ভয় না পেয়ে লেখালেখি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। এক প্রকাশককে হত্যা এবং আরেক প্রকাশককে কুপিয়ে আহত করার একদিন বাদে রোববার রাজধানীর রমনা রেস্তোরাঁয় এক প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি।

জাসদ সভাপতি ইনু বলেন, “মানুষের জীবনে দুর্ঘটনা আছে। সভ্যতাও হোঁচট খেতে খেতে এগিয়ে যায়। সমাজ বিকাশের ধারায় দুর্ঘটনা আছে। এটাকে সহ্য করতে হয়। “ভয় পেলে হবে না। দুই-একটি অতর্কিত আক্রমণে ভড়কে না গিয়ে আপনারা শিল্প সাহিত্যের চর্চা করুন। এভাবেই তারা শেষ হয়ে যাবে। আপনারা ভয় পাবেন না। লেখালেখি চালিয়ে যান।”

সূত্র-বাংলা বিডি নিউজ২৪ ডট কম

র‌্যাবের নজরদারিতে আসছে ব্লগার
২৭ আগস্ট ২০১৫

ব্লগারদের গতিবিধির ওপর নজর রাখছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র‌্যাব)। ব্লগ বা অন্য কোনো মাধ্যমে কেউ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে কিছু লিখছেন কিনা এদিকটা দেখছে র‌্যাব। একই ভাবে লেখাকে কেন্দ্র করে উগ্রপন্থীদের প্রাণঘাতি হামলা থেকেও তাদের সুরক্ষা দেয়ার চেষ্টা করবে বিষেশায়িত সংস্থাটির সদস্যরা। দেশের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে সংস্থাটিকে এই কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়। পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকেও নজরদারি এবং অনুসন্ধান বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ করে যে লিখবে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। অন্যদিকে উগ্রপন্থীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে আইনশৃংখলা বাহিনীকে। সরকারের এ ধরনের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতেই র‌্যাবের কর্মকর্তারা এই বিষয়টি নিয়ে মাঠে নেমেছেন। তারা উগ্রপন্থীদের ধরতে জোরদার অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এর পাশাপাশি তারা প্রয়োজনে ব্লগারদেরও আইনের আওতায় আনবেন।

সূত্র-দৈনিক যুগান্তর


ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত দিলে ব্লগারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১১ আগস্ট ২০১৫

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে ব্লগে লেখালেখি করলে দেশের সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী ব্লগারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মঙ্গলবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকার আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ সব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সূত্র-নয়াদিগন্ত

ধর্মের বিরুদ্ধে লিখলে গ্রেপ্তার করা হবে-আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি
১০ অগাস্ট ২০১৫

যেসব ব্লগার মুক্তমনা পরিচয় দিয়ে ধর্মের বিরুদ্ধে লেখালেখি করে তাদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করে গ্রেপ্তার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে ব্লগাররা ব্লগে কী লেখেন সে বিষয়ে খোঁজ রাখবেন গোয়েন্দারা। যাঁদের ব্লগে ধর্ম বিষয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, কটূক্তি পাওয়া যাবে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হবে। গতকাল রবিবার আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র- কালেরকন্ঠ

‘সীমা লঙ্ঘন’ না করতে ব্লগারদের পরামর্শ আইজিপির
৯ আগস্ট ২০১৫

ছয় মাসের ব্যবধানে চার ব্লগার হত্যাকাণ্ডের কোনোটিরই সুরাহা করতে না পারার জন্য সমালোচিত পুলিশ বাহিনীর প্রধান ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মতো লেখা না লেখার পরামর্শ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে কারও লেখা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মতো হলে সে ক্ষেত্রে পুলিশকে তা জানানোর পরামর্শও দিয়েছেন এ কে এম শহীদুল হক।

সূত্র-বাংলা বিডিনিউজ২৪ ডট কম


আমরা (আওয়ামী লীগ) নাস্তিক হিসেবে পরিচিত হতে চাই না-রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জয়

১১ মে ২০১৫

“আমরা (আওয়ামী লীগ) নাস্তিক হিসেবে পরিচিত হতে চাই না। তবে এতে আমাদের মূল আদর্শের কোনো বিচ্যুতি হবে না। আমরা ধর্ম নিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী।” তিনি আরো বলেন ” অভিজিৎ একজন ঘোষিত নাস্তিক ছিলেন ” তাই আমার মা (প্রধানমন্ত্রী) অভিজিৎ রায়ের বাবাকে ব্যক্তিগতভাবে সমবেদনা জানিয়েছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এতটাই অস্থির যে প্রকাশ্যে তার পক্ষে কোনো মন্তব্য করা সম্ভব হয়নি বলে মন্তব্য করেন জয় ।

সূত্র-রয়টার্স

‘হেফাজতের দাবি মানা হয়েছে, হচ্ছে’ (উল্লেখ্য-হেফাজতের ১৩ দফা ছিল-নারী শিক্ষানীতি বিরোধী, ব্লগাদের ফাঁসি, আহমদিয়া সম্প্রদায়কে পাকিস্তানের মতন অমুসলিম ঘোষণাসহ মধ্যযুগীয় দাবী)
৩ মে ২০১৩

ঢাকা অবরোধের ঘোষণা দেয়া হেফাজতে ইসলামের বেশিরভাগ দাবিই বাস্তবায়ন করা হয়েছে উল্লেখ করে এ কর্মসূচি বাদ দেয়ার অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সাভারে উদ্ধার অভিযান ও পুনর্বাসন কাজের স্বার্থে হেফজতে ইসলামের রোববারের ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি স্থগিতের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী হেফাজতের ১৩ দফা দাবির ১২টি পড়ে শোনান। “হেফাজতে ইসলামের নেতারা বেশ কিছু দাবি-দাওয়া পেশ করেছেন। এ ব্যাপারে আমি কিছু কথা বলতে চাই। যে দাবিগুলো তারা করেছেন তার অনেকগুলোই কিন্তু ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আমরা কিছু কিছু করেছি। কিছু দাবি বাস্তবায়নের পথে যেগুলোর যৌক্তিকতা রয়েছে। যদি কিছু থাকে, তা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা যেতে পারে।” হেফাজতে ইসলামের সংবিধানে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপনের দাবি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংবিধানে বিসমিল্লাহির রাহমানির রহিম দেওয়াই আছে। এটা ইতিমধ্যেই আছে। তাছাড়া সংবিধানের রাষ্ট্রধর্ম ইসলামও লেখা আছে। সুতরাং ইসলাম ধর্ম সংবিধান থেকে বাদ যায় নাই।”

আল্লাহ, রাসুল (সা.) ও ইসলাম ধর্মের অবমাননা এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুৎসা রোধে শাস্তির দাবিতে হেফাজতের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করে শেখ হাসিনা বলেন, “ধর্মের অবমাননার বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান রেখে দেশে আইন কিন্তু বিদ্যমান আছে।”

সূত্র-বাংলা বিডি নিউজ২৪ ডট কম


‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানলেই ব্যবস্থা’

০২ এপ্রিল ২০১৩

মঙ্গলবার এই সংবাদ সম্মেলনেই দুই মন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও শফিক আহমেদ বলেছেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে কেউ আঘাত হানলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কেউ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানলে তার বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সরকার জানিয়েছে। ব্লগারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হেফাজতে ইসলামসহ কয়েকটি ইসলামী দলের দাবির মধ্যে মঙ্গলবার সরকারের দুই মন্ত্রী একথা জানিয়েছেন।

সূত্র-বাংলা বিডিনিউজ২৪.কম

ইসলাম অবমাননার অভিযোগে তিনজন ব্লগার গ্রেফতার, পরবর্তীতে আরো ১ জন গ্রেফতার হয়
১ এপ্রিল ২০১৩

ইন্টারনেটে ইসলাম ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর লেখালেখির অভিযোগে রাজধানীতে তিনজন ‘ব্লগারকে’ গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারের পর তাদেরকে ঢাকার মহানগর মুখ্য আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদেরকে সাত দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছে।

সূত্র- বিবিসি

‘নাস্তিক’ ব্লগারদের তওবার দাবিতে সায় কমিটির
৩১ মার্চ ২০১৩

ফেইসবুক ও ব্লগে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যকারীদের ‘তওবা’ করানোর সুপারিশ করেছে ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলেমরা, যাতে সায় জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কর্যালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি।

রোববার কমিটির সঙ্গে বৈঠকে ব্লগ ও ফেইসবুক ইসলাম ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে মামলা করে কঠোর শান্তি দেয়ার সুপারিশ করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলেমদের সঙ্গে বৈঠকে এ সুপারিশের প্রেক্ষিতে কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাইনউদ্দিন খন্দকার বলেন, “তওবা পড়ার সুযোগ দেয়া যেতে পারে, এর পরও তারা এ অপপ্রচার চালালে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

সূত্র-বাংলা বিডিনিউজ২৪ ডট কম

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ধর্মবিদ্বেষী ৮৪ ব্লগারের নথি জমা
৩১ মার্চ ২০১৩

ইসলাম ধর্ম ও মহানবী হজরত মোহাম্মদ সা. সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্যকারী ব্লগার ও ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে নয়টি ব্লগের ৮৪ জনের তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কটূক্তিকারীদের শনাক্তে গঠিত নয় সদস্যের কমিটির সঙ্গে দেশের আলেম সমাজের বৈঠকে এ তালিকা হস্তান্তর করা হয়।

সূত্র-নতুন বার্তা ডট কম

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s